
॥ মাসুদ রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি ॥
[dropcap] বা [/dropcap] গেরহাটের খুলনা মোংলা মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুইটি শিশুও রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৪ টা ৪৫ মিনিটে মহাসড়কের গোনাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
সভাপতি তার দুলাভাই ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ে শেষ করে নতুন ছেলে বৌ কে নিয়ে খুলনার কয়রা থেকে মোংলায় ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। গাড়িতে থাকা তার পরিবারের সকল সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে তার সহধমিনী মোংলার বাড়িতে ছিলেন ।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত চারটি মরদেহ এখনো রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, সেখানে আটটি লাশ নেওয়া হয়েছে।
মৃত রাজ্জাকের আপন শ্যালক জানায় , মোংলা পৌর ৮ নং ওয়াড বিএনপির সভাপতি তার দুলাভাই ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ে শেষ করে নতুন ছেলে বৌ কে নিয়ে খুলনার কয়রা থেকে মোংলায় ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। গাড়িতে থাকা তার পরিবারের সকল সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে তার সহধমিনী মোংলার বাড়িতে ছিলেন ।
মাইক্রোবাসে বর পরিবারের ১১, কনে পরিবারের ৩ জন ও ড্রাইভার সহ ১৫ জন যাত্রীছিল। আর মৃতদের মধ্যে মোংরা পোর্ট পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সহ বর পরিবারের ৯ জন, কনে পরিবারের ৩ জন ও ড্রাইভার নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি ৪ জনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। আহত আরও বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রামপালে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ১২ জনের মধ্যে ১১ জনই একই পরিবারের সদস্য এবং তারা সবাই মোংলা পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে রূপ নেওয়ায় নিহতের বাড়িতে এখন শোকের মাতম চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ রিপোর্ট রেখা পর্যন্ত পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শেষ করে বর্তমানে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।