প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করে প্রভাব খাটিয়ে মহিলার বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা
গ্লোবাল সংবাদ
- প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ময়মনসিংহের দিগার কান্দা শান্তিনগরে রাতের গভীরে সাংবাদিক হয়ে ছাত্র সম্মনয়কের পরিচয় দিয়ে পুলিশের সহায়তা মহিলার বাড়িতে হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক প্রতিদিনই কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দিগার কান্দা শান্তিনগর এলাকায় গভীর রাতে এক অসহায় ভদ্রমহিলার বাড়িতে ভয়াবহ হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে পুলিশের সহযোগিতায় আনুমানিক রাতএকটা থেকে ভোর রাত ৪ টা পর্যন্ত দুইজন সাংবাদিক পরিচয় দেয় তারা ছাত্র সম্মানায়ক এসআই সোহেল রানার সহযোগিতায়
প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করে প্রভাব খাটিয়ে ওই মহিলার বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা করে। এর সাথে কারা কারা জড়িত খুঁটিয়ে দেখলে গর্তের বিড়াল বের হয়ে যাবে এই চক্রের সাথে প্রশাসনের কোন চক্রান্ত আছে কিনা তা প্রশাসন একটু খুঁটিয়ে সাধারণ জনগণের মুখে হাসি ফুটবে ভুক্তভোগী মহিলার ভাষ্যমতে, গভীর রাতে দুই সাংবাদিকের হয়ে এর সাথে ছিল ছাত্রসম্মনয়কের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন এরা কি ছাত্র সাম্য নায়ক না অন্য কিছু এই বিষয়ে এসআই সোহেল রানার সাথে কথা বলতে চাইলে সে কোন কিছু বলতে রাজি নয় সে বারবার বলে ওসি সাহেব জানে আরো দেখা যায় দুই সাংবাদিক কিছু লোকজন নিয়ে তার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে তারা প্রথমে কেচি গেট খুলতে জোর করে এবং বলে "ওসি সাহেব আপনাকে ডাকছেন"। মহিলাটি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গেট না খুলে জানিয়ে দেন, সকাল হলে তিনি থানায় গিয়ে ওসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি আরও জানান, তার বাড়িতে একমাত্র মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই এবং এত রাতে কোনো মামলা বা অভিযোগ ছাড়াই এভাবে ডাকাটা সন্দেহজনক।এসময় উপস্থিত ছিলো মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা গেট ভেঙে ফেলার হুমকি দেয় এবং জানায়, যদি গেট না খোলা হয়, তবে বাসার সমস্ত জিনিসপত্র লুটপাট করে নেয়া হবে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে। প্রাণভয়ে মহিলাটি সারা রাত আতঙ্কের মধ্যে কাটান এবং পরদিন সকালে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পরবর্তীতে জানা যায়, অভিযুক্ত দুই সাংবাদিক নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ভুক্তভোগী মহিলাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে।এস আই সোহেল রানা তবে প্রকৃত সমন্বয়কগণ নিশ্চিত করেছেন যে, অভিযুক্তরা প্রকৃতপক্ষে কোনো সমন্বয়ক নন।
ভুক্তভোগী মহিলা প্রশাসনের কাছে প্রাণের নিরাপত্তা চেয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানান। ওসি সাহেবের একটি কথা দেখছি তিনি অভিযোগ করেও অভিযুক্ত দুই সাংবাদিক এখনো তাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে এবং তাকে ভয় দেখানো হচ্ছে।
ঘটনার দুই দিন পর ভুক্তভোগী মহিলা থানায় গিয়ে মামলার এজাহার দায়ের কথা বললে ওসি শফিকুল ইসলাম খান তাকে আশ্বস্ত করে জানান, অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা বলে ভুক্তভোগী কে সান্ত্বনা দেওয়া হয় পরে বলেন একটি কথা আমি দেখছি । চোখে অশ্রু নিয়ে থানার গেট থেকে বের হয়ে আসে
সাধারণ জনগণের ফলাফল কি ?
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
এই দুই সাংবাদিক আগে পেশা ছিলো একজন মাদক সেবনকারী রিহাব সেন্টার পরিচালক অন্য আরেকজন ছিলেন লেদ মিস্ত্রী এরা দুজন মিলে অন্য এক ব্যক্তির দোকানে নিজেরাই ইয়াবা রেখে দোকানদারকে ডেকে নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন
দোকানদার টাকা দিতে রাজি না হলে তাদের পেতে রাখা জালে প্রশাসনকে কে ডাল বানিয়ে ওই দোকানদারকে জিম্মি করার চেষ্টা চালায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ফেঁসে গেল দুই সাংবাদিক তাদের পাতানো জালে অন্যদিকে ডেভিল হান্ট অপারেশনের আসামিদেরকে বাঁচিয়ে দিবে বলে কয়েক লক্ষ টাকা তাদের কাছ থেকেও হাতিয়ে নেন
সিসি ফুটেজের ভিডিও পাবলিসিটি হলে কিছুদিন গা ডাকা দেন কেন তাদেরকে প্রশাসন গ্রেফতার করছে না জনতা জানতে চায় ক্রিমিনাল সে যে পরিচয়ই হোক তার পরিচয় সে একজন ক্রিমিনাল সকল প্রশাসনের সিনিয়ার আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কারী বাহিনী ময়মনসিংহ জেলা ডিসি ডিআইজি এসপি ময়মনসিংহ থানার ওসি তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তাদেরকে দ্রুত সময় গ্রেপ্তার করা হোক তা দেখে অন্যান্য ক্রিমিনাল রাও যেন ভাল হওয়ার সুযোগ পেয়ে যাক অভিযুক্ত কারীদের দৃষ্টান্তমূল শাস্তির দাবি সাধারণ জনতা ও সাংবাদিক মহল এত কিছু দেখেও প্রশাসন কেন নিরব এ নিয়ে কৌতুহল শুরু হয়েছে সাধারণ জনতার মাঝে
তাদের গোপন তথ্য ফাঁস করার কারণে
শনিবার রাত দুইটায় সাদেক আমাকে ফোন দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য মাদকসম্রাট সাদেকের মত সন্ত্রাসীকে ভাড়া করেন বিল্লাল হোসেন মানিক, কাজী জাফর সাদেক আমাকে বলে কালকে জিডি করতে গেলে তোকে থানার সামনে মেরে ফেলবো আমার জিভ কেটে নেবে এবং আমার হাত কেটে নেবে যে হাতে লিখেছি প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন যেন এইসব সন্ত্রাসীদের হাতে আর কোন সাংবাদিক মৃত্যুবরণ না করে তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আমাকে বাঁচান ওরা ভয়ংকর সন্ত্রাসী ওদের মত ভয়ংকর সন্ত্রাসীদেরকে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দিয়ে এদেশের সাধারণ জনগণকে রক্ষা করার দায়িত্ব প্রশাসনের তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমি আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই
আপনার মতামত লিখুন :