
॥ সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ॥
[dropcap] সা [/dropcap] তক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চী গ্রামে ওয়াব্দার রাস্তা ছিদ্র করে ও কেয়ারের রাস্তা কেটে লবন পানি উত্তোলন করে এলাকায় ক্ষতি সাধন ও মিথ্যা মামলা হয়রানী বন্দে এলাকাবাসীর পক্ষে এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তারা আরও বলেন , মিথ্যা মামলা করে আমাদের হয়রানী করছে। নানা ভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছে। এ সময় তারা ওয়াব্দার রাস্তা ছিদ্র করে ও কেয়ারের রাস্তা কেটে লবন পানি উত্তোলন করে এলাকায় ক্ষতি সাধন বন্দ ও মিথ্যা মামলা হয়রানী
০৯ ই মার্চ ( সোমবার) সকাল ১১ টায় কালিঞ্চী উত্তর পাড়া জামে মসজিদের মাঠ প্রাঙ্গনে উক্ত মানব বন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোছাঃ আছিয়া বেগম , মোছাঃ বিলকিস খাতুন , মোছাঃ নাসিমা খাতুন , মোছাঃ মমতাজ বেগম ও মোঃ আলমগীর ভাঙ্গী।
মানব বন্ধনে এলাকাবাসী জানায় , ভেটখালী গ্রামের মোঃ আবু নূর আমিনের পুত্র মোঃ সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ দীর্ঘ বছর ধরে আমাদের এলাকায় ওয়াব্দার রাস্তা ছিদ্র করে ও কেয়ারের রাস্তা কেটে মসজিদ ও কবর স্থানের পাশ দিয়ে লবন পানি উত্তোলন করে মৎস্য চাষ করে আসছে।
যার ফলে অত্র এলাকায় মসজিদ , কবর স্থান , পুকুর , বসত ভিটাবাড়ী , গাছগাছালি ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে আসছে। বর্ষা মৌসুমে মসজিদ , কবর স্থানসহ এলাকায় লবন পানিতে প্লাবিত হয়। তারা আরও বলেন , লবন পানির কারনে আমরা জরায়ুসহ নানা রোগে আক্রান্ত হই। আমরা লবন পানির হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবাদ করলে গত ০৪-০৯-২০২১ তারিখে উক্ত মোঃ সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ আমাদের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় ০৯/৩৪১ নং একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে নানা ভাবে হয়রানী করে। আমরা প্রতিবাদ অব্যহত রাখলেও লবন পানি উত্তোলন বন্দ হয়নি।
অবেশেষে রাস্তা সংস্কারের সময় লবন পানি উত্তোলনের পাইবটি বন্দ করে দেওয়া হয়। তার পর থেকে লবন পানি উত্তোলন বন্দ থাকলেও বিগত ৩০-০১-২০২৬ তারিখে মোঃ সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ প্রভাব বিস্তার করে পুনরায় লবন পানি উত্তোলনের চেষ্টা করলে আমরা বাঁধা সৃষ্টি করলে আমাদেরকে তার লোকজন ব্যাপক ভাবে মারধর করে। আমাদের মারধর করে ক্ষ্যন্ত না হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালত নং-০৫ , সাতক্ষীরাতে মৃত ছবেদ আলী গাজীর পুত্র মোঃ আব্দুল মজিদ, মোঃ আঃ গফ্ফারের পুত্র মোঃ শহিদ , আব্দুল গফুর গাজীর পুত্র হাফিজুর রহমান, মৃত নূর ভাঙ্গীর পুত্র আলম ভাঙ্গী, মোঃ আহম্মদ আলীর পুত্র মোঃ কালাম, মৃত ফরমান গাজীর পুত্র মোঃ শাহিনুর রহমান, আনারুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন, মুনছুর আলীর স্ত্রী নাছিমা খাতুনসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করে। যা বর্তমানে শ্যামনগর থানয় তদন্তনাধীণ।
তারা আরও বলেন , মিথ্যা মামলা করে আমাদের হয়রানী করছে। নানা ভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছে। এ সময় তারা ওয়াব্দার রাস্তা ছিদ্র করে ও কেয়ারের রাস্তা কেটে লবন পানি উত্তোলন করে এলাকায় ক্ষতি সাধন বন্দ ও মিথ্যা মামলা হয়রানী বন্দে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। মানব বন্ধন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মোঃ আব্দুল মজিদ।