
॥ আরিফুল ইসলাম , সলঙ্গা ( সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥
[dropcap] সি [/dropcap]রাজগঞ্জ জেলা থেকে এবারই প্রথম মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২জন মামা ও ভাগনে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও (সিরাজগঞ্জ-কামারখন্দ)-২ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমরা গর্বিত আমাদের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দু'জন মন্ত্রী দিয়েছেন। এই জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। অন্যদিকে আজকে জেলা বিএনপির নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের ভূমিদস বিজয় অর্জিত হয়েছে
অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ভাগ্নে ও ড.এম মতি সাহেবের সুযোগ্য পুত্র ড. এম এ মুহিত। তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জে একই সাথে দুই মন্ত্রী হওয়ায় আনন্দিত দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। আনন্দ মিছিলের পাশা পাশি করছে মিষ্টিমুখও। নির্বাচনের আগে নেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি গুলোর বাস্তবায়ন চায় সাধারণ মানুষ। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০১ সালে ১৮ দলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পরে কৃষি প্রতমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাবা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাকিস্তান সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন। অন্য দিকে সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ মতিনের ছেলে ড. এম এ মুহিত। শাহজাদপুর আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো দাঁড়িয়ে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সিরাজগঞ্জের ইতিহাসে এই প্রথম একই সঙ্গে জেলা থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পাওয়ার ঘটনায় আনন্দিত দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুভেচ্ছার জোয়ার বইছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমরা গর্বিত আমাদের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দু'জন মন্ত্রী দিয়েছেন। এই জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। অন্যদিকে আজকে জেলা বিএনপির নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের ভূমিদস বিজয় অর্জিত হয়েছে, তার বড় অবদান হলো আমাদের দলীয় সকল পর্যায়ের নেতা কর্মী এবং সাধারণ ভোটার বৃন্দ। তাই জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাইয়ের নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন ছোয়ায়, সিরাজগঞ্জ জেলা কে একটি আধুনিক জেলা হিসাবে গড়ে তোলা হবে। ইনশাআল্লাহ।