॥ মোক্তার হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ॥
রাজবাড়ী জেলার পাংশা শহরস্থ লিজা হেলথ কেয়ারের অন্যতম পরিচালক ও পাংশা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর খোন্দকার মাহবুব হোসেন রিপন গত ৯ জুন বিকালে লিজা হেলথ কেয়ার থেকে মাগুড়াডাঙ্গী নিজ গ্রামের বাড়ীতে যাওয়ার পথে একদল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হামলা-মারধরের শিকার হন।
এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলায় (মামলা নং ৮, তারিখ ৯ জুন, ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬ পেনাল কোড) থানা পুলিশ মো. রেজাউল করিম ওরফে রাজা খান (৫৫) নামের ১জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত রাজা খান পাংশা পৌরসভার মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত জুলমত খানের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামীরা বিভিন্ন সময়ে লিজা হেলথ কেয়ারে গিয়ে বলে এখানে ক্লিনিকের ব্যবসা করতে হলে প্রতিমাসে দেড় লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে এবং ক্লিনিকের শেয়ার দিতে হবে। লিজা হেলথ কেয়ার কর্তৃপক্ষ আসামীদেরকে চাঁদা ও ক্লিনিকের শেয়ার দিতে সম্মত হন না। বিধায় আসামীগণ বিভিন্ন সময়ে ক্লিনিকের লোকজনকে মারধরসহ জীবননাশের ভয়ভীতি দেখায়। ইতিপূর্বে আসামী রাজা খান ক্লিনিক হতে চাঁদা বাবদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ৯ জুন বিকাল ৩টার দিকে পাংশা থানাধীন মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের সাবেক কমিশনার খালেদ ফজলুল্লাহ-এর বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর খোন্দকার মাহবুব হোসেন রিপনকে পেয়ে তার নিকট দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। তিনি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় আসামীরা তাকে ইট দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে যন্ত্রণাদায়ক ফুলা জখম করে।
ধৃত আসামী রাজা খানকে বুধবার (১০ জুন) পাংশা মডেল থানা থেকে রাজবাড়ীর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।ক্ষতিগ্রস্ত খোন্দকার মাহবুব হোসেন রিপন মামলার অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের দাবী জানান।
এদিকে, লিজা হেলথ কেয়ারের অন্যতম পরিচালক ও পাংশা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর খোন্দকার মাহবুব হোসেন রিপনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।