
॥ শেখ লিটন আহামেদ রানা, দোহার-নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥
[dropcap] ঢা [/dropcap] কার নবাবগঞ্জের চূড়াইনে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনন্ত ৫ জন আহত হয়েছে। গত রবিবার দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলাকালে তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় আহত হন উভয় গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মী।
শামীম রেজা জানান, গেলো নির্বাচনে স্থানীয় বাবু ও মিলন বিএনপির সাথে বেইমানি করেছে। নির্বাচনে তাদের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে আমরা রবিবার বসেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল সমাধানের। কিন্ত বাবু ও মিলনের লোকজন অতর্কিত আমাদের উপর হামলা করে আমাদের তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়।
জানা যায়, সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থানীয় শামীম রেজা ও বাবু গ্রুপের মধ্যে বিবাদ হয়। বিবাদের সমাধানের জন্য রবিবার এলাকার নেতৃবৃন্দরা দুই পক্ষ নিয়ে চুড়াইন ইউনিয়ন পরিষদে বসেন। এসময় দু'পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ের তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধরা তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। এসময় ৪-৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলির শব্দ পায় এলাকাবাসী। ভীতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় এসময় কেউ এগিয়ে আসেনি। এ সংঘর্ষে আহত হন উভয় পক্ষের একাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থন। এনিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এবিষয়ে জানতে চুড়াইন ইউনিয়ন পনিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান লিটনের মুঠোফোনে সংযোগ দেয়া হলে তিনি কথা না বলে কেটে দেন। আগলা ইউনিয়নের চরচরিয়া এলাকার আহাদ বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার মামাতো ভাই রিফাতকে দক্ষিণ চূড়াইনের শামীম রেজার নেতৃত্বে মারধর করেন। এঘটনায় আমি থানায় ১৩ জনের নামে এবং ১০-১৫ জনের বিরুদ্বে মামলা করেছি। আশাকরি পুলিশ দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করবে।
তবে শামীম রেজা জানান, গেলো নির্বাচনে স্থানীয় বাবু ও মিলন বিএনপির সাথে বেইমানি করেছে। নির্বাচনে তাদের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে আমরা রবিবার বসেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য ছিল সমাধানের। কিন্ত বাবু ও মিলনের লোকজন অতর্কিত আমাদের উপর হামলা করে আমাদের তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের গণধোলাই দেয়। ওরাও মামলা করেছে। আমরাও মামলা করেছি। এব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, দুই পক্ষই মামলা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।