বুধবার , ৪ মার্চ ২০২৬

দস্যুদের কবল থেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন ১৪ জেলে

॥  মাসুদ রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি ॥

পহরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জেলে । প্রত্যেক জেলের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে দস্যুদের।শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্র দুবলার চরের বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায়  বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না পাওয়ায় সংঘবদ্ধ দস্যুরা যে কোনো সময় শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক জেলে অপহরণের হুমকি দিয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শুঁটকি উৎপাদনকারী চরগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ফিরে আসা ১৪ জেলে নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরের শুঁটকি ব্যবসাীয় মিজান মালি, শাহিনুর মালি, হাবিব ও রবি মহাজনের জেলে।  গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্ধর্ষ বনদস্যু করিম শরীফ বাহিন পূর্ব সুন্দরবনের শেলার চর শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে একটি ট্রলারসহ ৬ জেলেকে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছিল বনদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে শেলার চরের শুঁটকি ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন মিঠুর পাঠানো অডিও বার্তায় জানা যায়, দস্যুরা চার মহাজনের ১৪ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে। প্রত্যেক জেলের জন্য ৭০-৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে দস্যুদের।

শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্র দুবলার চরের বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় অপহৃত জেলেদের মহাজনদের বরাত দিয়ে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না পাওয়ায় সংঘবদ্ধ দস্যুরা যে কোনো সময় শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক জেলে অপহরণের হুমকি দিয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শুঁটকি উৎপাদনকারী চরগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

Check Also

মোংলায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে ঘের দখলের অভিযোগ, কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম

॥  মাসুদ রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি ॥ মোং লা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের পৈতৃক ও ইজারা নেওয়া …

Advertisement