Thursday , 1 January 2026

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে একই স্কুলের এসএসসি পরিক্ষার্থী !

॥ আরিফুল ইসলাম আরিফ, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥

সি রাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়েছে। স্কুল ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে মার্কেটের একটি কক্ষে স্কুল ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। প্রচন্ড রক্ত ক্ষরনে স্কুল ছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে এক কিশোরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত তিন জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কিশোর পলাতক রয়েছে।

মামলার অভিযোগ পত্র ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ধর্ষনের শিকার স্কুল ছাত্রী উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের আলোক দিয়ার গ্রামে নানার বাড়ি থেকে পাঁচলিয়া বদরুল আলম উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ালেখা করে।

গত ১৩ এপ্রিল একই বিদ্যালয়ের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী (কিশোর) স্কুল ছাত্রীকে ফুসলিয়া পাঁচলিয়া বাজার সংলগ্ন জহুরুলের মার্কেটে নিয়ে যায়। পরে মার্কেটের একটি কক্ষে স্কুল ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। প্রচন্ড রক্ত ক্ষরনে স্কুল ছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে সোমবার রাত ৩টার দিকে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গত সোমবার রাতে সলঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার রাকিবুল ইসলাম বলেন, স্কুল ছাত্রীকে তার পরিবার হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। তার প্রচুর রক্তক্ষরন হয়েছে। অস্ত্রপাচার করে দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। শরীরে দুই ব্যাগ রক্তও দেওয়া হয়েছে। এখন সে ভালো আছে।

সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান গ্লোবাল সংবাদ কে বলেন, ধর্ষনের অভিযোগ এনে স্কুল ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।

Check Also

লাখো লাখো মানুষের উপস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাযা সম্পন্ন

॥  শাহ আলম, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ॥ বাং লাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন তিনবারের সফল সাবেক …