Tuesday , 20 January 2026

বেলকুচিতে ক্ষুদ্র গ্রামীণ কৃষকদের ক্ষমতায়নে ‘ইচ্ছে’ কর্মসূচির কর্মশালা

॥ সোহেল রানা, চৌহালি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥

সি রাজগঞ্জের বেলকুচিতে বাংলাদেশে টেকসই সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষুদ্র গ্রামীণ প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক কর্মসূচি (ইচ্ছে) আওতায় স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের ম্যাপ ও নির্দেশনা প্রস্তুতকরণ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আয়োজকরা বলেন, ‘ইচ্ছে’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো মাঠপর্যায়ে বিদ্যমান সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে একটি সুসংহত কাঠামো গড়ে তোলা। যাতে কৃষকরা হয়রানি ছাড়া সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, ক্ষুদ্র গ্রামীণ কৃষকদের অবহেলা করে টেকসই উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রশিক্ষণ হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি)-এর সহযোগিতায় মানব মুক্তি সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় উঠে আসে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সামাজিক সেবায় দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং কৃষকবান্ধব উদ্যোগের ঘাটতির চিত্র।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডঃ নাজমুল হক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর৷ কর্মসূচি কর্মকর্তা এ.এল.আর.ডি তারা খাতুন, ও মানবমুক্তি সংস্থার পি এম মোঃ আখতারুজ্জামান সরদার। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা স্বীকার করেন, প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে ক্ষুদ্র কৃষকরা বহু সেবা থেকে নিয়মিতভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে খরচ, আর্থিক ঝুঁকিতে পড়ছে কৃষক পরিবারগুলো।

আলোচনায় স্পষ্টভাবে উঠে আসে বেলকুচির মতো কৃষিনির্ভর উপজেলায় এখনও অনেক কৃষক জানেন না, কোন দপ্তর থেকে কী ধরনের সহায়তা পাওয়া যায়, কীভাবে আবেদন করতে হয় কিংবা কার সঙ্গে যোগাযোগ করলে দ্রুত সেবা মিলবে। এই বাস্তবতায় স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের একটি কার্যকর ম্যাপ ও স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব কৃষকদের জন্য বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আয়োজকরা বলেন, ‘ইচ্ছে’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো মাঠপর্যায়ে বিদ্যমান সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে একটি সুসংহত কাঠামো গড়ে তোলা। যাতে কৃষকরা হয়রানি ছাড়া সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, ক্ষুদ্র গ্রামীণ কৃষকদের অবহেলা করে টেকসই উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। এখনই যদি সেবাদান ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও সমন্বয় নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভয়াবহ সংকট দেখা দিতে পারে। কর্মশালার শেষে স্থানীয় পর্যায়ে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের একটি বাস্তবসম্মত ম্যাপ ও নির্দেশনা প্রস্তুতের মাধ্যমে কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

Check Also

সিরাজগঞ্জে অবৈধ দখল মুক্ত করণ “মত বিনিময় সভা “অনুষ্ঠিত

॥  শাহ আলম, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ॥ ম ঙ্গলবার ২০ জানুয়ারী ২০২৬ বিকেল ৪ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ …