
॥ এ আর আজাদ সোহেল, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ॥
নো য়াখালী হাতিয়া উপজেলার দীর্ঘ যুগের পর যুগের সমস্যা নদী ভাঙ্গন রোধে পরিকল্পিত সুব্যবস্থা গ্রহন করতে চান বিএনপি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম ফজলুল হক খোকন। এজন্য প্রানের সংগঠন বিএনপি থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নমিনেশন আশা করছেন এ নেতা।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোন লবিং না যোগ্যতার মাপকাঠিতে মনোনয়ন চাই। দলীয হাইকমান্ড যদি মনে করে আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে ভোট করবো। তবে দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে সংগঠনের সোন্দয্য বর্ধনে মানুষের কল্যানে কাজ করবো। আমার টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। আর দরকার নাই
এদিকে হাতিয়ায় দুঃসময়ের বিএনপির কান্ডারী জননন্দিত নেতা খোকনকে চেয়ানম্যান হিসেবে দেখতে চান হাতিয়া তৃনমুল বিএনপি। নেতাকর্মীদের মতে তিনি একজন ত্যাগী, আদর্শবান ও জননন্দিত রাজনীতিবিদ নেতা বলে সর্বমহলে পরিচিত এবং গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি।
১৯৫৮ সালে হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নে এডভোকেট এনায়েত উল্লাহর ওরশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা ছিলেন নোয়াখালী জেলার একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম শীর্ষ নেতা। পারিবারিক জীবনে স্ত্রী ১ কন্য সন্তান নিয়ে সুখী । মেয়েটি বিবিএ পাশ করেছেন। বাংলাদেশের সফল রাস্ট্রপ্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি আবেগ ভালোবাসা আর পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ করে খোকন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে নিষ্ঠার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া সম্পন্ন করেন। এসময় ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে সক্রিয় রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়াও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছিলেন। সেসময় দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি, কমিটি বাণিজ্য বা চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিলনা। যা একজন রাজনীতিক হিসেবে তাঁর সততা ও স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিএনপির দুঃসময়ে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছেন। রাজনৈতিক মামলা-মোকদ্দমায় পড়া ও আর্থিক সংকটে পড়া নেতাকর্মীদের তিনি পাশে থেকে সহায়তা করেছেন। যা অনেক নেতাকর্মী জানিয়েছেন ।
এক প্রশ্নের উত্তরে খোকন জানান,নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার দীর্ঘ দিন, যুগের পর যুগের সমস্যা নদী ভাঙ্গন। অনেক মানুষের ঘরবাড়ি বিপন্ন হয়ে গেছে। দল যদি নমিনেশন দেন। ইনশাআল্লাহ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ভাঙ্গন রোধে পরিকল্পিত স্থাযী সুব্যবস্থা গ্রহন করবেন তিনি। হাতিয়ার সাথে জেলার মুল ভু-খন্ডের যোগাযোগ স্থাপনে নদীর উপর সেতু নির্মান খুবই জরুরী। রাস্তা গুলো চলাচলের অনুপযোগী সংস্কার প্রয়োজন। ফেরি পারাপারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাসহ নানামুখী উন্নয়ন করার ইচ্ছে তার। যতদিন বেঁচে থাকবেন হাতিয়া বাসির সুখ দুঃখের সাথী হয়ে বেঁচে থাকতে চান। তিনি বলেন তিনি জীবনে বিএনপি ছাড়া অন্য কোন দল করেননি।
১৯৭৪ সালে মেট্রিক পাশ করে ৭৫ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাশ ও ১৯৮২ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স মাস্টার্স পাশ করে রাজনীতিতে নাম লিখেন । রাজনীতি যখন শুরু করেন তখন বাবার মতো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি আবেগ আর ভালো বাসায় তাঁর আদর্শের রাজনীতি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন বিএনপি করে যাবেন।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোন লবিং না যোগ্যতার মাপকাঠিতে মনোনয়ন চাই। দলীয হাইকমান্ড যদি মনে করে আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে ভোট করবো। তবে দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে সংগঠনের সোন্দয্য বর্ধনে মানুষের কল্যানে কাজ করবো। আমার টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। আর দরকার নাই। বাকি জীবন মানুষের উপকারে কাজ করতে চাই। তিনি সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
হাতিয়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচলিত রয়েছে একেএম ফজলুল হক খোকন সাহেব জাতীয় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নির্বাচনে দলের জন্য নিজ অর্থ ব্যয় করেছেন। এমনকি দলের প্রয়োজনে নিজের জায়গা-জমি বিক্রি করে তৃণমূলের কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। হাতিয়া ও নোয়াখালীর মানুষের কাছে তিনি একজন প্রিয় নেতা। একজন নিবেদিত সমাজসেবক এবং একজন পরীক্ষিত সংগঠক। তাই তাকেই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন হাতিয়ার তৃনমুল বিএনপি তথা আপামর জনগন।
global sangbad 24 অনলাইন নিউজ পোর্টাল
