শনিবার , ১৫ জুন ২০২৪

মোংলায় দরিদ্র জনগোষ্টির পাশে বেপজা কর্তৃপক্ষ, সাড়ে ১২শ শীতার্থকে বস্ত্র বিতরণ

॥ মোংলা প্রতিনিধি ॥

পৌষের শেষ দিকে মোংলা উপকুলীয় এলাকার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হিমেল বাতাস আর আকাশ কুয়াচ্ছন্ন থাকায় জনজীব বিপরযস্ত হচ্ছে। ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো।

আর সেই মুহুর্তে শীতার্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছে মোংলা ইপিজেড কর্তৃপক্ষ। বিতরণ করেছে শীতবস্ত্র। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে প্রায় সাড়ে ১২শ নারী-পুরুষ ও এতিম শিশুদের মাঝে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করেছে তারা।

 

এর মধ্যে ৭৪৩ পিস কম্বল, ১৫০ পিস কার্ডিগান, ১৫০ পিস সোয়েটার (মহিলা) ও ২০০ পিস হুডি জ্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বেপজা কর্তৃপক্ষের নিজেস্ব তহবিল ছাড়াও বিদ্ধমান ইপিজেডে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক অনুদানের সমন্নয় এ উদ্দ্যোগ বাস্তায়নের কার্যক্রম গ্রহন করেছে নির্বাহী পরিচালক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান ও বেপজা নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মাদ জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় বেপজা কর্তৃপক্ষ অসহায় দরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণের উদ্দ্যোগ নেয়।

মোংলা উপজেলার প্রত্যন্ত উপকুলীয় এলাকা সুন্দরববন ইউনিয়নের বেশীর ভাগ মানুষই অসহায় ও হতদরিদ্র। তাই এখানকার এতিম খানা মাদ্রাসার ছাত্র, দরিদ্র জনগোষ্ঠির বয়স্ক নারী-পুরুষ ও শিশুদের দেয়া হয়েছে শীতবস্ত্র।

এর মধ্যে ৭৪৩ পিস কম্বল, ১৫০ পিস কার্ডিগান, ১৫০ পিস সোয়েটার (মহিলা) ও ২০০ পিস হুডি জ্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বেপজা কর্তৃপক্ষের নিজেস্ব তহবিল ছাড়াও বিদ্ধমান ইপিজেডে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক অনুদানের সমন্নয় এ উদ্দ্যোগ বাস্তায়নের কার্যক্রম গ্রহন করেছে নির্বাহী পরিচালক।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের সভাপতিত্বে মোংলা ইপিজেড’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (হিসাব ও অর্থ) আবুল হাসান মুন্সি,

উপ-পরিচালক প্রশাসন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী এএসএম সেলিম ইমতিয়াজ, সহকারী পরিচালক (কমাশিয়াল-অপারেশন) মোঃ আল আমিন, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা, ইউপি সদস্য সহ এলাকার অসহায় ও হতদরিদ্র নারী-পুরুষ ও এতিম শিশুরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ইপিজেড’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোংলা সহ দেশে ৮টি ইপিজেড তৈরী করেছেন। যার ফলে মোংলা সহ উপকুলীয় এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষগুলো এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে সুন্দরভাবে জীবিকা করছে।

এছাড়া দিন দিন ইপিজেডে বেকার মানুষের কর্মসংস্থানও হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার মানুষ কাজ করছে। দেশ-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে, আগামীতে এখানে ২০ হাজার মানুষের কর্ম সংস্থান হবে, এছাড়া এ অঞ্চলের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে মোংলা ইপিজেড সব সময় থাকবে বলেও জানায় এ নির্বাহী পরিচালক।

Check Also

বাংলাদেশে ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই ৭ অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য নিয়ে এসেছে …