সোহেল রানা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
মাদক কারবারে তিনবার কারাবরণের পরও মাদক মামলায় ফের গ্রেফতার—নেপথ্যের মদদদাতা ও অর্থের জোগানদাতাদের খুঁজে বের করার দাবি। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ অমেদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অমেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও মাদক ব্যবসার অভিযোগে তিনবার কারাবরণ করেছেন তিনি।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—বারবার গ্রেফতার ও কারাবরণের পরও কীভাবে একই ব্যক্তি ফের মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন? শুধু একজন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেই কি এনায়েতপুরের মাদকের বিস্তার থামানো সম্ভব? স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক কারবারের পেছনে থাকা মূল হোতা, অর্থের জোগানদাতা, সরবরাহকারী, পৃষ্ঠপোষক ও তদবিরকারীদের শনাক্ত করা জরুরি। তাদের দাবি, মাদকচক্রের ছোট সদস্যদের ধরে অভিযান শেষ না করে চক্রের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এলাকাবাসী আরও বলেন, মাদক বিক্রেতাদের গ্রেফতারের পর তাদের ছাড়িয়ে নিতে কিংবা মামলা দুর্বল করতে কেউ যদি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারণ মাদকের বিষে যখন তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে, তখন মাদক কারবারিদের আড়াল করার যেকোনো প্রচেষ্টা সমাজের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে।
তাদের দাবি, এনায়েতপুরকে মাদকমুক্ত করতে ‘কাউকে ছাড় নয়’ নীতিতে অভিযান চালাতে হবে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মাদকের উৎস, সরবরাহের পথ, অর্থের লেনদেন এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে গ্রেফতার হওয়া অমেদ আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলার বিস্তারিত তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :