এ আর আজাদ সোহেল, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।।
নোয়াখালীর মাটি ও মানুষের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আলোকবর্তিকা হারুন অর রশীদ আজাদকে নগর পিতা হিসেবে জনগণ দেখতে চান। ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতা আজ পরিণত হয়েছেন নোয়াখালীবাসীর আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সফল ও দূরদর্শী জনপ্রতিনিধি হিসেবে।
হারুন অর রশীদ আজাদের রাজনৈতিক জীবনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে। জেল জুলুম সহ্য করে তৃণমূল থেকে নেতৃত্বের শীর্ষ স্তরে তিনি কর্মীদের ভালোবাসা দিয়ে সুসংগঠিত করে দলকে শক্তিশালী করেছেন।১৯৯১ সালে সৈরাচার এরশাদকে হটাতে তৎকালীন ছাত্রদলের সফল সভাপতি হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দেন। পরবর্তীতে তার সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দল পরিচালনা করছেন। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে তার সুদৃঢ় সম্পর্কের কারণে কেন্দ্রীয় হাইপ্রোফাইল মহলেও তার রয়েছে ব্যাপক সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা।
সব রেকর্ড় ছাড়িযে সফল মেয়র থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে হারুন অর রশীদ আজাদের কর্মজীবন অত্যন্ত গৌরবময়। নোয়াখালী পৌরসভার সাধারণ মানুষ তাকে দুই-দুবার তাদের অভিভাবক তথা মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। মেয়র থাকাকালীন পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে তিনি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
পদ-পদবি কিংবা ক্ষমতার অহংকার কখনো হারুন অর রশীদ আজাদকে স্পর্শ করতে পারেনি। তিনি মূলত একজন মাটির মানুষ। চিরচেনা হাসিমুখ আর অমায়িক ব্যবহার দিয়ে তিনি সহজেই যেকোনো মানুষের আপন হয়ে ওঠেন। সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবার জন্য তার দরজা সবসময় উন্মুক্ত। বিপদে-আপদে সবার আগে ছুটে যাওয়া এই নেতা নোয়াখালীর রাজনীতিতে এক অনন্য কর্মী বান্ধব ও জনবান্ধব উদাহরণ।
নোয়াখালী সিটি কর্পোরেশন ও আগামীর প্রত্যাশা নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি নোয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়ার জন্য একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও সৎ নগরপিতার প্রয়োজন হবে। আর এই পদে নোয়াখালীর সর্বস্তরের জনগণের একটাই চাওয়া হারুন অর রশীদ আজাদ।
স্থানীয় এলাকাবাসির মতে, যিনি মেয়র হিসেবে দুবার পৌরসভাকে সফলভাবে চালিয়েছেন এবং জেলাকে চেনেন হাতের তালুর মতো, নোয়াখালী সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নগরপিতা হিসেবে তার চেয়ে যোগ্য আর কেউ হতে পারে না। জনগণের ভালোবাসা আর কেন্দ্রীয় সুনামের ওপর ভর করে আগামীর নোয়াখালী বিনির্মাণে হারুন অর রশীদ আজাদই এখন আস্থার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
আপনার মতামত লিখুন :