মাসুদ রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মোংলা পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন মোল্ল্যা (৩০) কে নির্মমভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং জড়িতদের বিচার দাবিতে মোংলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আল আমিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ দিগরাজ বালুর মাঠ এলাকার একটি মাদকচক্র দীর্ঘদিন ধরে আল আমিন কে ইয়াবা বিক্রির জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। তাদের এই অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হয়ে প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক বিক্রেতা বাদল ও তার ছেলে রনি সহ তার মাদকচক্রের সদস্যরা জাকিরে দোকানে চা পান করা অবস্থায় কৃষকদল নেতা আল আমিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে শারীরিক লাঞ্ছিত ও মারধর করে বাদল সহ তার দলবল।
আহত কৃষক দল নেতা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মোংলা থানায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি এবং তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।কিন্তুু অভিযোগ জমার ১৫ দিন হলেও অজানা কারণে ব্যাবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ।
মোংলা থানা পুলিশের এস আই নুরুল আমিন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি আরো বলেন, আমাকে এলাকার কয়েকজন ব্যাক্তি ফোন করে জানান এলাকায় বসে তারা বিষয়টি মিমাংসা করে দিবেন । কিন্তুু এতো দিনে যখন তারা মিমাংসা করতে পারে নি। আমি আজই থানায় উভয় পক্ষকে ডাকার ব্যাবস্থা করবো,।
অভিযুক্ত বাদল জানায়, আল আমিন আমার পরিচিত। আমার বিরুদ্বে আল আমিন যে অভিযোগ দিয়েছে তা মিথ্যা বানোয়াট । আমাকে হেয় করতে এমন অভিযোগ করেছে। তবে আমি তার কাছে ৫০০ টাকা পাবো ২০০ টা দিয়েছিলো বাকি টাকা চাইতে গেলে আমাদের ভিতরে হাতাহাতি হয় আমি হাতাহাতি করেছি, আমি তার মোবাইল টান দিয়ে নেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে । আমি তাকে মারধর করি নি।
এ বিষয়ে মোংলা রামপালের (সার্কেল) সহকারি পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম জানান, অভিযোগ দেয়ার পর এতো কালক্ষেপণের কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহেবের সাথে কথা বলে অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা সহ দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানায় তিনি।
তবে তিনি আরো বলেন মাদকের বিষয়ে কোনো আপস নেই। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান চলমান রয়েছে নিয়মিত।
আপনার মতামত লিখুন :