মাসুদ রানা, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোংলায় বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক ব্যতিক্রম ও বৃহৎ কুরবানির আয়োজন করা হয়েছে।
মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলীর ব্যক্তিগত তহবিল ও সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে একযোগে ৯টি গরু কোরবানি দেওয়া হয়। বেগম খালেদা জিয়া বেচেঁ থাকতেও তার রোগমুক্তি কামনায় জানের ছতকা, কোরআন খতম ও মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান করেছিল।
শুক্রবার সকালে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই কোরবানি সম্পন্ন করা হয়। গত ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে তিতি ইন্তেকাল করেণ। ইন্তেকালের পর মোংলা পোর্ট পৌরসভা এলাকায় এই প্রথম এত বড় পরিসরে তাঁর নামে কুরবানির ব্যবস্থা করা হলো।
শুক্রবার সকাল থেকেই সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে নিজে উপস্থিত থেকে কোরবানির কার্যক্রম তদারকি করেন। কুরবানি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে নিজ হাতে স্থানীয় পথশিশু, এতিম, অসহায়, হতদরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করেন।
মাংস বিতারণ শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করে পরম করুণাময়ের দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
একই সাথে বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনানায় দোয়া করা হয়।উক্ত মোনাজাত ও মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদারসহ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী সাংবাদিকদের বলেন, দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ে আজীবন আপসহীন লড়াই করে গেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর এই অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় আমরা ৯টি ওয়ার্ডে এই আয়োজন করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল যেন উৎসবের এই দিনে পৌরসভার একটি গরিব পরিবারও মাংসের স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হয়। তাই আমি নিজ হাতে কোরবানী এবং মাংস বিতারণ করেছি। সব শেষে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা ও বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনানায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়।
এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার নামে মোংলায় ১২ একর জমির উপর বৃদ্ধাশ্রম ও এতিম খানা নির্মান করতে যাচ্ছে আলহাজ্ব মোঃ জুলফিকার আলী, যার কাজও চলমান।
আপনার মতামত লিখুন :