রাশেদ খানের অভিযোগ, একদিকে হান্নান মাসউদ নিজেকে স্থাবর সম্পত্তিহীন হিসেবে দাবি করেছেন, অন্যদিকে তার বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে নির্বাচনী হলফনামার বিবরণে অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তিনি বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানান।
সোমবার (১৫ জুন) দেওয়া ওই পোস্টে রাশেদ খান বলেন, নির্বাচনী হলফনামায় ভুল বা অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠলে নির্বাচন কমিশনের তা যাচাই-বাছাই করার সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত করা সম্ভব। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার পাশাপাশি সংসদ সদস্য পদও হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে আবদুল হান্নান মাসউদকে ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য ও তার নিজস্ব বক্তব্যের সঙ্গে হলফনামার তথ্য মিলিয়ে দেখলে বেশ কয়েকটি অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এসব বিষয় জনসম্মুখে পরিষ্কার করতে এবং জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের উত্তর দিতে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে হান্নান মাসউদের দেওয়া আর্থিক সংকটসংক্রান্ত বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তার মতে, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পক্ষ থেকে বারবার আর্থিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরা এবং একই সঙ্গে সম্পদসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হওয়া জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :