সুবর্ণচরে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগে আ.লীগ নেতার বিচার চেয়ে মানববন্ধন


FavIcon
গ্লোবাল সংবাদ
  • প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মো. রেদওয়ান হোসেন, সুবর্নচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি : 


নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে মসজিদের তহবিল থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মসজিদের জমি দখলের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হোসেনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরের দিকে চরবাটা ভূঁইয়ারহাট বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ভূঁইয়ারহাট বাজার জামে মসজিদের মুসল্লী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।


মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ৪০ বছর পুরোনো ভূঁইয়ারহাট বাজার জামে মসজিদের সাবেক সভাপতি হাজী মোশারফ হোসেনের মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজাম্মেল হোসেন মসজিদের দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মসজিদের তহবিলের অর্থ আত্মসাৎ এবং জমি দখল করে আসছেন। এ সময় তিনি মসজিদের হিসাব-নিকাশও স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করেননি বলে অভিযোগ করা হয়।


বক্তারা আরও বলেন, গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর মসজিদ পরিচালনা কমিটিতে পরিবর্তন আসে এবং বর্তমানে নুরুল হুদামিয়ার নেতৃত্বে নতুন কমিটি দায়িত্ব পালন করছে। নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম সামনে আসে বলে দাবি করা হয়।


মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা মিয়া, সহ-সভাপতি হাজী নূরুল হুদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। এ সময় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ওসমান গণি, মসজিদের সহ-সেক্রেটারি মো. কামাল, ভূঁইয়ারহাট বাজার কমিটির সহ-সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, সদস্য মো. সুমন, মসজিদের নিয়মিত মুসল্লী ফিরোজ আলম, মিরাজ ব্যপারী, হাজী আব্দুস শহীদ, ইসমাইল কোম্পানি, শেখ সিরাজ, শেখ মধু সহ প্রায় ৩ শতাধিক লোক অংশগ্রহণ করেন।


এ সময় বক্তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি মসজিদের সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। মসজিদ কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের তহবিল ও সম্পদের বিষয়ে নানা অনিয়ম হয়ে আসছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা এসব অসঙ্গতির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মসজিদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং কিছু জমিও অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মোজাম্মেল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এবিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান লিখিত কোন অভিযোগ পায়নি তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ