সুবর্ণচরে নারী, শিশু ও ব্র্যাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার


FavIcon
গ্লোবাল সংবাদ
  • প্রকাশিত : ১৮ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মো. রেদওয়ান হোসেন, সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:


নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক ঘটনায় এক ব্র্যাককর্মী, এক গৃহবধূ ও এক শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক সময়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ জানায়, ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী (পিএ) দাউদুল ইসলাম অফিসের পাশের একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে তিনি ব্র্যাকের ম্যানেজারকে জানান, তার শরীর ভালো লাগছে না। তাই তিনি ওই রাতে অফিসের ওপরের গেস্ট রুমে থাকবেন বলে জানান। পরে গেস্ট রুমের চাবি নিয়ে সেখানে রাতে থাকতে যান তিনি।


মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবি নেওয়ার জন্য গেস্ট রুমে গেলে দাউদুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেননি।


নিহত দাউদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের কাঞ্চন বাজার শাখায় ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী (পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


অন্যদিকে, চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৩) নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে এলে পুলিশ সেখান থেকে তা উদ্ধার করে।


এদিকে, চর আমানউল্লাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জসিম উদ্দিনের ছেলে হামিম (৩) বসতবাড়ির পুকুরে পানিতে ডুবে মারা যায়। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আর শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ