দিনাজপুর ৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা।


FavIcon
গ্লোবাল সংবাদ
  • প্রকাশিত : ২৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

আসাদুর রহমান হাবিব (দিনাজপুর) জেলা প্রতিনিধি।। 


দিনাজপুর ৫ আসনের ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।


গত রোববার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় দিনাজপুর জেলার পাঁচ আসন ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির বিদ্যমান কমিটিগুলো বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।


তবে ঠিক কি কারণে বিদ্যমান এই কমিটিগুলো বাতিল করা হলো নির্দিষ্টভাবে তাঁর কোন কারণ বা ব্যখ্যা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি,এবং পর্বর্তীতে নতুন কমিটি গঠন বা উদ্যোগ কবে নেওয়া হবে তাঁর স্পষ্ট নির্দেশনার কোন সময়সূচিও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি।


তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন বিগত সরকার পতনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠন করলেও দিনাজপুর পাঁচ আসনটি নিয়ে দলের অসন্তুষ্টি রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।


তাঁরা আরও জানান দীর্ঘদিন ধরে এই আসনটিতে একই নেতৃত্ব বহাল থাকার কারণে তৃণমূলে অনেক দায়িত্বশীল নেতা কর্মীদের পদপদবি নিয়ে দলীয় প্রার্থীর বিরোধীতা করতে দেখা গেছে,যাঁর কারণে দলীয়ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


কমিটি বিলুপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে এই আসনটির সদ্য বিলুপ্ত ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মোঃ খুরশিদ আলম মতি জানান গত ২০১৭ সালে দিনাজপুর পাঁচ আসনের ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুর উপজেলায় বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়,দলের নিয়মানুযায়ী তিন বছরের মধ্যে দলীয় সৃঙ্খলা বজায় রাখতে সম্মেলন করার কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় পরিস্থিতি অস্বাভাবিক থাকার কারণে নেতাকর্মীদের নিয়ে কমিটির সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি সেই কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল।


তিনি আরও জানান সাবেক সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনে দিনাজপুর পাঁচ আসনে দল থেকে নমীনেশন দেওয়া হয়েছিল বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম কামরুজ্জামানকে,তাঁকে নমীনেশন দেওয়ায় উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা সরাসরি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিরোধীতা করেছিলেন যাঁর ফলে আসনটি হারাতে হয়েছে,এরপরও আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে দলীয় সৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে,মূলত এসব রাজনৈতিক অনিয়ম বিবেচনায় নিয়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি জোরদার এবং সৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা কমিটিগুলো বিলুপ্ত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছিল,যাঁর পরিপ্রেক্ষিতেই দলের হাইকমান্ড এই আসনটির উপজেলা কমিটিগুলোর বিলুপ্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ