‘কি পেলাম, কি হারালাম’ নয়—তৃণমূলের পাশে থাকাই শামসুল ইসলামের প্রত্যয়


FavIcon
গ্লোবাল সংবাদ
  • প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ মাসুদ রানা, রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:


রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাবরণের মতো কঠিন সময়ও এসেছে। তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম। বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় কারাবরণের কিছু স্থিরচিত্র এখনো তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সেই কঠিন দিনগুলোর স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।


দলের নেতাকর্মীদের কাছে এসব ছবি শুধু স্মৃতি নয়, বরং দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকার একটি অধ্যায়ের সাক্ষ্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তিনি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রেখেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান।


উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মন্ডল বলেন, শামসুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে আছেন। দলের কঠিন সময়ে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। কারাবরণের ঘটনাও তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর মতো প্রবীণ নেতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বলেন, শামসুল ইসলাম দলের দুঃসময়ের একজন পরিচিত মুখ। আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ে তাঁর কারাবরণের স্মৃতি এখনো নেতাকর্মীদের মনে আছে। রাজনৈতিক জীবনে অনেক প্রতিকূলতা এলেও তিনি দল থেকে সরে যাননি। তাঁর পুরোনো দিনের ছবিগুলো দেখলে সেই সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের কথা মনে পড়ে।


নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো. শামসুল ইসলাম বলেন, দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে জীবনে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কারাবরণও করতে হয়েছে। তবে এসব নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই। রাজনীতিতে কী পেলাম, কী হারালাম—এ হিসাব কখনো করিনি। যতদিন বেঁচে আছি, দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে চাই।


তিনি বলেন, দুঃসময়ে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের পাশে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মীর দায়িত্ব। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই দলের মূল শক্তি। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে পারাটাই আমার কাছে বড় বিষয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, বয়স বাড়লেও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শামসুল ইসলামের যোগাযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময় দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেন তিনি।


রাজনীতির দীর্ঘ এই পথচলায় ব্যক্তিগত প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাবকে সামনে আনতে চান না শামসুল ইসলাম। বরং জীবনের বাকি সময়টুকু দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে কাটাতে চান তিনি। তাঁর কাছে পুরোনো দিনের কারাবরণ ও আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতিগুলো রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।


পুরোনো স্থিরচিত্রগুলো তাই কেবল কয়েকটি ছবি নয়; এগুলো দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকা, কারাবরণ এবং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে পথচলার স্মৃতি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলালেও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রত্যয়ই তাঁর রাজনৈতিক পথচলার অন্যতম প্রধান বার্তা হয়ে আছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ