সাতক্ষীরায় জমি দখলের পাঁয়তারা: শরীফুলের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিধবা রওশন আরার সংবাদ সম্মেলন


FavIcon
গ্লোবাল সংবাদ
  • প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি


সাতক্ষীরায় ভূমিদস্যু, মামলাবাজ আলমগীর ও শরীফুলের বিরুদ্ধে উ”চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক শহরের সুলতানপুর এলাকার মৃত ফজলুল কাদেরের স্ত্রী রওশন আরা রুবি। মঙ্গলবার(৪ আগষ্ট) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি শরীফুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।


 লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা থানার বালিখা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজায় অবস্থি’ত ধাপার ঘেরে এস এ খতিয়ান নং: ৯, ২০১, ১৭, ১৫, ৭৮, ৭৯, ৮০, ১২৪, ৩১, ৫৮, ৩৩, ৯৮, ১১৫ সহঅন্যান্য এবং বি আর এস খতিয়ান নং: ১৬৯, ১১০, ২৬৭, ১৭০, ১৭১, ১৪০, ৭১, ১১১, ১১৯ সহ অন্যান্য মোট ৮.৩৩ একর সম্পত্তি আমাদের পৈত্রিক। আমার স্বামী ২০০২ সালে মারা যাওয়ার পর এতিম সন্তান ও আমাকে অসহায় পেয়ে আমার চাচা শ্বশুর আবুল কাশেম ও তাঁদের ওয়ারেশরা (শরিফুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন) গায়ের জোরে আমাদের ওই পৈত্রিক জমিজমা অবৈধভাবে দখলকরে ভোগদখল করতে থাকে। আমি জমির হারির টাকা কিংবা সঠিক জমির ভাগ চাইলে তাঁরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। দীর্ঘ ১৬ বছর বহুকষ্ট ও আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে আমাদের বৈধ সম্পত্তিতে অবস্থান নেই। সেই থেকে উক্ত জমি আমাদের বৈধ ভোগদখলেই রয়েছে। 


রওশন আরা রুবি বলেন, আমাদের বৈধ সম্পত্তির দখল মেনে নিতে না পেরে শরিফুল ইসলামের মাতা তাহমিনা খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। পর্যায়ক্রমে মামলাটি জজকোর্ট অতিক্রম করে হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর আদালত বাদীর মামলাটি খারিজ করে দেন। হাইকোর্টে হেরে গিয়ে বাদীপক্ষ পুনরায় ২০২৫ সালের ২৯ মে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানির আবেদন করলে, আদালত হাইকোর্টের ্#৩৯;স্ট্রে অর্র্ডা#৩৯;বলবৎ থাকায় উক্ত মামলার সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করে দেন। আদালতে হেরে গিয়ে বাদীপক্ষ বারবার পুলিশ প্রশাসনের কাছে মনগড়া অভিযোগ করতে থাকে। কিন্তু উচ্চ আদালতের ্#৩৯;স্ট্রে অর্র্ডা#৩৯; থাকায় পুলিশ প্রশাসন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, উচ্চ আদালতের আদেশের ওপর তাঁদের বিচার করার কোনো এখতিয়ার নেই।


তিনি আরো বলেন, আলমগীর ও শরীফুল বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জিড়ত। শরিফুল ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ ও আইনি রায় থাকাসত্ত্বেও একটি রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে আমাদের সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে শরিফুল ইসলাম গং মিডিয়ার সামনে মিথ্যাচার করছেন। অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। ওই কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগের পেছনে সে আসল সত্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ফলে আইনি লড়াইয়ে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন পেশিশক্তি দেখিয়ে আমাদের জমি দখলের পায়তারা করছে। তারা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়েছে। 


শরিফুল ও আলমগীর গংরা আইন আদালত অমান্যকারী। সম্পত্তি দখল নিতে শরিফুল গংরা খুন জখম করতে পিছপা হবে না। ফলে সন্তানদের নিয়ে আমি চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। তিনি গত ৩ আগষ্টের সংবাদ সম্মেলনে শরিফুলের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে এই বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে শরিফুল গংদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব¯’া নিতে পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ